চিয়া বীজে রয়েছে –
💪দুধের চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি ক্যালসিয়াম।
💪সেলমন মাছের থেকে আট গুণ বেশি ওমেগা-৩
💪কমলার চেয়ে সাত গুণ বেশি ভিটামিন সি।
💪পালং শাকের চেয়ে তিনগুণ বেশি আয়রন।
💪কলার চেয়ে দ্বিগুণ পটাশিয়াম।
১। চিয়া বীজ শক্তি এবং কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
২। চিয়া বীজ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করে।
৩। চিয়া বীজ ওজন কমাতে সহায়তা করে।
৪। চিয়া বীজ ব্লাড সুগার (রক্তের চিনি) স্বাভাবিক রাখে, ফলে ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমায়।
৫। চিয়া বীজ হাড়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং টিস্যু গঠন করে।
৬। চিয়া বীজ মলাশয় (colon) পরিষ্কার রাখে ফলে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
৭। চিয়া বীজ শরীর থেকে টক্সিন (বিষাক্ত পদার্থ) বের করে দেয়।
৮। চিয়া বীজ প্রদাহজনিত সমস্যা দূর করে।
৯। চিয়া বীজ ভাল ঘুম হতে সাহায্য করে।
১০। চিয়া বীজ ক্যান্সার রোধ করে।
১১। চিয়া বীজ হজমে সহায়তা করে।
১২। চিয়া বীজ হাঁটু ও জয়েন্টের ব্যথা দূর করে।
১৩। চিয়া বীজ এটেনশান ডেফিসিট হাইপার এক্টিভিটি ডিসর্ডার (Attention deficit hyperactivity disorder ADHD) দূর করে।
১৪। চিয়া বীজ ত্বক, চুল ও নখ সুন্দর রাখে।
১৫। চিয়া বীজ হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।